টি-টোয়েন্টিতে আরেকটি কীর্তি হয়ে গেল সাকিবের
| ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। উইকেট নেওয়ার পরছবি: প্রথম আলো |
ইতিহাসে পঞ্চম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট পেলেন সাকিব আল হাসান। আজ মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক।
৩৯৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচ শুরু করেছিলেন সাকিব। প্রথম ৩ ওভারে ছিলেন উইকেটশূন্য। চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসার আগে মিনিস্টার ঢাকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৭ রান।
তবে সাকিবের প্রথম বলেই লং-অন দিয়ে ছয় মারেন ঢাকা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। পরের বলে তুলে মারতে গিয়ে এক্সট্রা কাভারে ডোয়াইন ব্রাভোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাকিবের ৪০০ উইকেট হয়ে যায় তাতেই।
সাকিবের আগে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট পেয়েছেন আর চারজন—সাকিবের বরিশাল সতীর্থ পেস অলরাউন্ডার ডোয়াইন ব্রাভো, দক্ষিণ আফ্রিকার লেগ স্পিনার ইমরান তাহির, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার সুনীল নারাইন ও আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার রশিদ খান।
২০০৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি দিয়ে ২০ ওভারের সংস্করণে অভিষেক হয়েছিল সাকিবের। সে ম্যাচে এ বাঁহাতি স্পিনার নিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের শন উইলিয়ামসের উইকেট। ৩৫৩তম ম্যাচে এসে ৪০০ উইকেট পূর্ণ করলেন তিনি।
২০১১ সালে প্রথমবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলতে গিয়েছিলেন সাকিব। এর পর থেকে নিয়মিতই সেখানে খেলেন তিনি। ভারতের বাইরে সাকিব ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ খেলেছেন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজেও। সামনের আইপিএলের মেগা অকশনে সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে নাম লিখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
এবারের বিপিএল শুরুর আগে সাকিবের উইকেট ছিল ৩৯৮টি। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে জেতা ম্যাচেও নিয়েছিলেন ১ উইকেট।
সব মিলিয়ে ৪০০ উইকেট পেতে সাকিবের লাগল ৩৪৭টি ইনিংস। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের বোলিং গড় ২১.১৭, ইকোনমি রেট ৬.৮০। ক্যারিয়ারে ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন দুবার।
২০১৩ সালে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগোর বিপক্ষে ৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন বার্বাডোজের হয়ে খেলা সাকিব, তাঁর ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার সেটিই।
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট:
ডোয়াইন ব্রাভো ৫৫৪
ইমরান তাহির ৪৩৫
সুনীল নারাইন ৪২৫
রশিদ খান ৪২০
সাকিব আল হাসান ৪০০